গ্যালাক্সি প্রদর্শনী

নাসার গ্রেট অবজারভেটরিজের চোখে গ্যালাক্টিক প্রদর্শনী!

✨ নাসার গ্রেট অবজারভেটরিজের চোখে গ্যালাক্টিক প্রদর্শনী! ✨

আকাশের বুকে যেন খুলে গেছে এক মহাজাগতিক থিয়েটার—অ্যান্টেনা গ্যালাক্সির নতুন কম্পোজিট ছবি সত্যিই শ্বাসরুদ্ধকর! এই ছবিতে একসাথে যুক্ত হয়েছে তিনটি শক্তিশালী অবজারভেটরির তথ্য:
🔵 চন্দ্রার এক্স-রে (নীল) – সুপারনোভার পর বিস্ফোরণে তৈরি গরম গ্যাসের বিশাল মেঘ ও ব্ল্যাক হোল-নিউট্রন তারার শক্তিশালী এক্স-রে উৎস।
🟡 হাবল অপটিক্যাল (স্বর্ণ ও বাদামি) – পুরোনো তারার জমকালো আলো, ঘন ধুলার স্তর এবং তারাগঠনের অঞ্চল।
🔴 স্পিটজার ইনফ্রারেড (লাল) – নবজাত তারার উত্তাপে উজ্জ্বল হওয়া উষ্ণ ধুলার মেঘ।
🌌 ৬২ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরের এই যুগল গ্যালাক্সি, যাদের নাম এসেছে সংঘর্ষে তৈরি লম্বা “অ্যান্টেনা” আকৃতির বাহু থেকে। প্রায় ১০ কোটি বছর আগে শুরু হওয়া এই গ্যালাক্টিক সংঘর্ষ আজও চলছে এবং সৃষ্টি করছে লক্ষ লক্ষ নতুন তারকা।
💥 বিশাল তরুণ তারাগুলো দ্রুত সুপারনোভায় বিস্ফোরিত হয়ে ছড়িয়ে দিচ্ছে অক্সিজেন, আয়রন, সিলিকনসহ ভবিষ্যৎ গ্রহ-তারকার জন্মদায়ী মহাজাগতিক উপাদান।
চন্দ্রার ছবিতে দেখা যায় এসব বিস্ফোরণের উত্তপ্ত অবশিষ্টাংশ, আর উজ্জ্বল বিন্দুগুলো জানাচ্ছে—ব্ল্যাক হোল ও নিউট্রন তারায় পদার্থ পতনের শক্তি।
অন্যদিকে স্পিটজারের লাল আলোর অঞ্চলগুলো জানাচ্ছে—এখানেই জন্ম নিচ্ছে নতুন প্রজন্মের তারা!
হাবল দিচ্ছে সেই দৃশ্যের সূক্ষ্মতম সৌন্দর্য—ধুলার ফিলামেন্ট, তারার জন্মস্থান আর বিলিয়ন তারার আলো।
🔭 এ যেন মহাবিশ্বের এক মহাকাব্যিক শিল্পকর্ম—বিস্ফোরণ, সৃষ্টির ধ্বনি, আর নতুন তারাজন্মের উজ্জ্বল সাক্ষী।

You must be logged in to post a comment.