শহীদ আব্দুল হালিম চৌধুরী জুয়েল (বীর বিক্রম)

শহীদ আব্দুল হালিম চৌধুরী জুয়েল (বীর বিক্রম)

শহীদ আব্দুল হালিম চৌধুরী জুয়েল (বীর বিক্রম)

বিখ্যাত ছিলেন ক্রিকেটার হিসাবে। জন্ম ১৯৫০ সালের ১৮ জানুয়ারি। ১৯৬৭ সালে জগন্নাথ কলেজ থেকে পড়াশোনা শেষ করে একটি কেমিক্যাল কোম্পানিতে যোগ দেন। পাশাপাশি চলতো ক্রিকেট। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটার হিসেবে খেলেছেন মোহামেডান স্পোর্টিং এবং আজাদ বয়েজ ক্লাবের হয়ে। দুর্দান্ত উইকেটকিপার এবং চৌকস ব্যাটসম্যান হিসেবে তার খ্যাতি তখন তুঙ্গে। পাকিস্তানের জাতীয় দলে ডাক পেলেও গেলেন না। ৩১ মে গেরিলা প্রশিক্ষণে যাবার আগে মাকে একটা ছবি হাতে দিয়ে বলেছিলেন, “আমি যখন থাকবো না; এই ছবিতেই আমাকে পাবে।”
শহীদ আব্দুল হালিম চৌধুরী জুয়েল (বীর বিক্রম)

শহীদ আব্দুল হালিম চৌধুরী জুয়েল (বীর বিক্রম)

ট্রেনিং শেষে ঢাকায় ক্র্যাক প্লাটুনের একজন হিসেবে যুদ্ধে নামেন। সাহসিকতার পরিচয় দেন ফার্মগেট, এলিফ্যান্ট রোড পাওয়ার স্টেশন, যাত্রাবাড়ী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনের গেরিলা অপারেশনে। ১৯ আগস্ট সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন অপারেশনের সময় শত্রুপক্ষের আঘাতে আহত হন জুয়েল। নেয়া হয় মগবাজারের প্রখ্যাত সুরকার আলতাফ মাহমুদের বাসায় চিকিৎসার জন্য। আল-বদর নেতার সহযোগিতায় পাক বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে যান তিনি। নির্মম অত্যাচার চালানো হয় ক্র্যাক প্লাটুনের নানা তথ্য এবং সদস্যদের পরিচয় জানার জন্য। চরম নিষ্ঠুরতায় কেটে ফেলা হয় হাতের আঙুল; যা দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের ওপেনিং ব্যাট ধরতে চেয়েছিলেন জুয়েল। ৩১ আগস্টের পরে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে “বীর বিক্রম” খেতাব প্রদান করে।
(ছবি এবং তথ্যসূত্র- ইন্টারনেট)

You must be logged in to post a comment.